মূল অংশে যান

আবেদন

ফৌজদারি বিচার চট্টগ্রাম

রাজস্ব কর্মকর্তার ওপর হামলা,হামলাকারী ও সিন্ডিকেটের কাউকে ছাড় নয়

০ স্বাক্ষরলক্ষ্য ৪,০০০

  • যাঁর কাছে আবেদন

    Dr. Dipu Moni

  • শুরু করেছেন ·

    Firoz Hossain

কেন এটি জরুরি

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের দুই রাজস্ব কর্মকর্তার ওপর দিনের আলোয় হামলার ঘটনা বন্দরকে ঘিরে চোরাচালান চক্রের তৎপরতা ও তাদের বেপরোয়া হয়ে ওঠার বিষয়টি সামনে এনেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ধারণা, সম্প্রতি প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের দুটি বড় অবৈধ চালান জব্দ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রতিশোধ নিতেই এই বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতির সুরক্ষায় নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন জানাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরের ডবলমুরিং থানার সিডিএ আবাসিক এলাকায় রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান খান ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. বদরুল আরেফিন ভূঁইয়াকে চাপাতি দিয়ে হামলা করা হয় এবং প্রকাশ্যে ‘গুলি কর’ বলে হুমকি দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের ধারণা, এটি কোনোভাবেই সাধারণ কোনো অপরাধ নয়।

সম্প্রতি প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের আমদানি নিষিদ্ধ পপিবীজ ও ঘন চিনি জব্দ করা হয়। এর আগে গত মে মাসে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ সিগারেটের একটি চালান জব্দ করা হয়েছিল। আবার মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা বিপুল পরিমাণ প্রসাধনীও জব্দ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে ও অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ চোরাচালান কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছিল। এ দুটি বড় চালান জব্দ করে চক্রটিকে ভেঙে দেওয়ার প্রতিশোধ নিতে এবং পুনরায় সক্রিয় হতে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা ঘটানো হয়েছে বলে প্রবল ধারণা প্রকাশ পেয়েছে।

আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের চোরাচালান ও শুল্ক ফাঁকির চেষ্টায় জড়িত চক্রগুলোর কোটি কোটি টাকার স্বার্থ জড়িত থাকে। যখন এই অর্থলাভের পথ বন্ধ হয়ে যায়, তখন তারা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। হামলার শিকার রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান খানকে আগেও মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, এমনকি প্রসাধনী চালান ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপও দেওয়া হয়েছিল। এ হামলা ও হুমকি স্পষ্ট বার্তা দেয় যে রাজস্ব ফাঁকি ও অবৈধ পণ্য আমদানির মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটগুলো কতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

এ ধরনের হামলা কেবল দুজন কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত নয়, এটি দেশের রাজস্বব্যবস্থার ওপর হুমকি। যে কর্মকর্তারা চোরাচালান বন্ধে ভূমিকা রাখছেন, তাঁরাই যদি কর্মক্ষেত্রে হামলার শিকার হন, তাতে তাঁদের মনোবল অক্ষুণ্ন রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। রাজস্ব কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি জোরদার করা হোক। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। আর সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যত বড়ই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাঁদের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। বন্দরে চোরাচালান চক্রকে পুনরায় সক্রিয় হতে দেওয়া যাবে না।

সাম্প্রতিক সমর্থক

এখনো কোনো স্বাক্ষর নেই। প্রথম স্বাক্ষরটি আপনিই করুন।

ফৌজদারি বিচার বিভাগের আরও আবেদন

আবেদনে স্বাক্ষর করুন

নতুন আবেদন

যে পরিবর্তন চান তা দিয়ে শুরু করুন। বিস্তারিত পরের ধাপে।

বিভাগ

প্রায় পাঁচ মিনিট লাগবে। লেখার সঙ্গে খসড়া সংরক্ষিত হবে।

আবেদনটি শেয়ার করুন

রাজস্ব কর্মকর্তার ওপর হামলা,হামলাকারী ও সিন্ডিকেটের কাউকে ছাড় নয়

আমার আবেদনে লগইন করুন

আপনার আমার আবেদন অ্যাকাউন্টের ইমেইল বা ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিন।

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

আমার আবেদনে নতুন? অ্যাকাউন্ট খুলুন

চালিয়ে গেলে আপনি আমাদের গোপনীয়তা ও কমিউনিটি নির্দেশিকায় সম্মত হচ্ছেন।