Skip to content

Petition

Politics Dhaka

জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার,ইসিকে আইন প্রয়োগে কঠোর হতে হবে

0 signaturesof 2,000

  • Petition to

    Obaidul Quader -ওবায়দুল কাদের

  • Started by ·

    Runa Khatun

Why this matters

প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার–প্রচারণায় দেশ এখন নির্বাচনমুখী। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্ব দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে সমাবেশ করছেন। এসব সমাবেশে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও বিপুলসংখ্যক উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে। ক্ষমতায় গেলে তাঁদের দল কী করবে, সেই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেও সমালোচনায় বিদ্ধ করছেন। এসব বক্তব্য ও মন্তব্য দলীয় কর্মী–সমর্থক ছাপিয়ে ভোটারদের মধ্যেও আলোচিত হচ্ছে, উত্তাপও ছড়াচ্ছে। সব আসনেই মিছিল, সমাবেশ, মাইক ব্যবহার করে এবং ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে প্রচারণা চলছে। অনেক বছর পর দেশে সত্যিকার অর্থেই নির্বাচন ঘিরে আগ্রহ ও উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

২২ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর পর বড় কোনো সহিংসতা–অনিয়ম না হলেও কয়েকটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর জানাচ্ছে, গত সোমবার পাঁচটি নির্বাচনী আসনে সংঘাতে অন্তত ৩৩ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারে বাধা, কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এবার প্রচারে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও অনেকেই তা মানছেন না। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপচনশীল দ্রব্য, যেমন র‍্যাক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিক ব্যবহার করে ব্যানার, ফেস্টুন টানানো হচ্ছে দেদার।

আমরা মনে করি, দেশ নির্বাচনী আমেজে পুরোপুরি ঢুকে পড়লেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখন পর্যন্ত সক্রিয়তা ও কঠোরতা দেখাতে পারেনি। শুধু নির্বাচনী আচরণবিধি সংস্কার করলেই হবে না, এর বাস্তবায়ন কতটা নিরপেক্ষ ও কঠোরভাবে হচ্ছে, সেটাই ইসির আস্থা অর্জনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে, এমন বড় কোনো অঘটন ঘটেনি। এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আত্মসন্তুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছে, ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগ ব্যবহার করে এবং আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দলটি আনসার–ভিডিপিকে নিজ থানার বাইরে নির্বাচনী দায়িত্ব প্রদানের দাবিও জানিয়েছে। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী প্রচারে বাধা, হামলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে ইসিতে অভিযোগ দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি।

সব দল ও প্রার্থীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) তৈরি করা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্বশর্ত। ইসিকে অবশ্যই এখন থেকেই নির্বাচনী আইনগুলো কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। ইসিকে এটা মনে রাখা জরুরি, নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে যে উৎসাহ–উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার মূল দায়িত্ব তাদের ওপরই বর্তায়।

অতীত অভিজ্ঞতা বলে, নির্বাচনী প্রচারণাপর্বেই সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এ সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যেতে পারে, সেদিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক পথ তৈরির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সন্ধিক্ষণ। ভোটাররা যাতে নিরাপদ, ভয়হীন ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নির্বাচন কমিশন, সরকার—সবার দায়িত্বশীল ভূমিকাই পারে একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে। প্রচারণাপর্বের শুরুতে যে উৎসবমুখর ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটা বজায় রাখতে হবে।

Recent supporters

No signatures yet. Be the first to sign.

Sign this petition

Add a petition

Start with the change you want. You'll add the details next.

Category

Takes about five minutes. Your draft saves as you go.

Share this petition

জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার,ইসিকে আইন প্রয়োগে কঠোর হতে হবে

Sign in to AmarAbedon

Use the email or username and password for your AmarAbedon account.

Forgot your password?

New to AmarAbedon? Create an account

By continuing you agree to our privacy and community guidelines.